Published : 24 Mar 2026, 11:06 PM
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আবারও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টার পর জেলা প্রশাসন দ্রুত অভিযান চালিয়ে ১১৩টি ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ করেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পর্যটকের আগমন বাড়ার সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যক্তি ঝাউবাগান ও বালিয়াড়িতে দোকান বসানোর চেষ্টা করে, কিন্তু প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যটন শাখার ইনচার্জ মনজু বিন আফনান জানান, এই অভিযানে শতাধিক অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে সৈকতে অবৈধভাবে দোকান বসাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। এর আগে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশে গত ১২ মার্চ জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে ৯৩০টির বেশি অবৈধ দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৯ মার্চ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
তবে, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও দুই দশক ধরে এই উচ্ছেদ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়নি। কক্সবাজার কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় এর স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছিল। সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে সৈকতের পরিবেশ উন্নত হয়েছে এবং পর্যটকদের জন্য আরও বেশি জায়গা তৈরি হয়েছে।” উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সুগন্ধা সৈকত দোকানমালিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমাদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু স্থায়ীভাবে ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।
” সুগন্ধা বিচ মার্কেট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম বলেন, “পর্যটকদের চাপ বাড়ায় রাস্তায় গাড়ি রাখলে যানজট সৃষ্টি হয়। বিকল্প জায়গা না থাকায় সৈকতে দোকান বসানো হয়েছিল।” জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বালিয়াড়ি পুনরায় দখলের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করবে।।
কুয়াকাটার তীরে ভেসে এল এক মৃত ইরাবতী ডলফিন: প্রকৃতির নীরব আর্তনাদ